মা দিবসে প্রয়াত মাকে স্মরণ করে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন সাংবাদিক আলমগীর হোসেন
- আপডেট সময় : ০৮:২৩:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
- / ৩০০ বার পড়া হয়েছে

বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে প্রয়াত মা মোসাঃ ফরিদা বেগমকে গভীর ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও আবেগের সঙ্গে স্মরণ করেছেন সাংবাদিক আলমগীর হোসেন। মাকে হারানোর দীর্ঘ সময় পার হলেও এখনো তাঁর শূন্যতা প্রতিটি মুহূর্তে অনুভব করেন পরিবারের সদস্যরা। মা দিবস এলেই যেন সেই কষ্ট আরও গভীর হয়ে ওঠে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ৬ জুলাই গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানাধীন আঞ্জুমান পাম্প এলাকার সামনে রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগামী একটি আজমেরী পরিবহনের বাসের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন মোসাঃ ফরিদা বেগম। দুর্ঘটনার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রাজধানীর উত্তরা শিন শিন জাপান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রায় ৯ ঘণ্টা লাইফ সাপোর্টে থাকার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর থেকেই পরিবারে নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া। সময় গড়ালেও মায়ের স্মৃতি ভুলতে পারেননি সাংবাদিক আলমগীর হোসেন ও তাঁর স্বজনরা। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, একজন মা শুধু পরিবারের অভিভাবকই নন, তিনি সন্তানের জীবনের সবচেয়ে বড় আশ্রয়স্থল।
মা দিবস উপলক্ষে আলমগীর হোসেন আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় বলেন,
“মা শুধু একজন মানুষ নন, তিনি সন্তানের জীবনের সবচেয়ে বড় ছায়া, সাহস ও আশ্রয়। আজ আমি মা হারা। পৃথিবীর সবকিছু থাকার পরও মায়ের অভাব প্রতিটি মুহূর্তে অনুভব করি। যদি আমার মা আজ বেঁচে থাকতেন, তাহলে হয়তো এই দিনটি অন্যরকম হতো।”
তিনি আরও বলেন,
“মা চলে যাওয়ার পর বুঝেছি, একজন মায়ের দোয়া সন্তানের জীবনে কত বড় শক্তি। আজ মা দিবসে সবার কাছে আমার একটাই অনুরোধ—আপনারা আমার মায়ের জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদাউসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন।”
দেশবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,
“যাদের মা-বাবা এখনো বেঁচে আছেন, তারা যেন তাঁদের ভালোবাসেন, সময় দেন এবং সম্মান করেন। কারণ মা-বাবার শূন্যতা এমন এক কষ্ট, যা কোনো কিছু দিয়েই পূরণ হয় না।”
মা দিবসে তাঁর এই আবেগঘন বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেকে তাঁর মায়ের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক ব্যস্ত জীবনে অনেক সময় মানুষ বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্ব ও ভালোবাসা প্রকাশে পিছিয়ে পড়ে। তবে এমন দিনগুলো মানুষকে পারিবারিক বন্ধন, ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার গুরুত্ব নতুনভাবে মনে করিয়ে দেয়।












